অনেককেই দেখা যায় গোসল করে আবার ওযু করে। অনেকেই গোসলের নিয়তও করে না। এখন নিয়ত না করলে আপনি যদি ১০০ বারও ফরয গোসল করেন আপনি অপবিত্রই রয়ে যাবেন। আপনার নামায দোয়া কিছুই হবে না। এমনকি যদি মৃত্যু এসে যায়, আপনার মৃত্যু হবে নাপাক অবস্থায়।
যে সব কারণে গোসল ফরজ হয়ঃ
১. সহবাস করলে। স্বামী-স্ত্রীর মিলন হলে বীর্যপাত হোক বা না হোক।
২. স্বপ্নদোষ হলে। স্বপ্নের কথা স্মরণ থাকুক বা না থাকুক শরীরে, কাপড়ে বা বিছানায় বীর্যের চিহ্ন দেখতে পেলে।
৩. মহিলাদের মাসিক ঋতুস্রাব (হায়েয) বন্ধ হলে।
৪. নেফাস (সন্তান প্রসবের পার যে রক্তস্রাব হয়) বন্ধ হলে।
৫. স্ত্রী-পুরুষ কারও উত্তেজনার সাথে বীর্য বের হলে।
৬. কোন অমুসলিম ইসলাম গ্রহণ করলে।
তখন ফরয গোসল ছাড়া নামাজ হবে না।
গোসলের নিয়তঃ
"নাওয়াইতুল গোছলা লিরাফয়ি'ল্ জানাবাতে।" অর্থাৎ ''আমি নাপাকি দূর করবার জন্য গোসল করতেছি।''
মুখে আরবি নিয়ত করতে হবে তা কিন্তু জরুরী নয়। এভাবে উচ্চারণ করা অধিকাংশ আলেমই বিদ'আত বলেন। সুতরাং বাংলাতে মনে মনে বলুনঃ
এবার আপনি নামাজ, কালাম সবই করতে পারবেন।
হে আল্লাহ, আমাদের সঠিক জ্ঞান অর্জন ও আমল করার তওফিক দাও, আমীন।
যে সব কারণে গোসল ফরজ হয়ঃ
১. সহবাস করলে। স্বামী-স্ত্রীর মিলন হলে বীর্যপাত হোক বা না হোক।
২. স্বপ্নদোষ হলে। স্বপ্নের কথা স্মরণ থাকুক বা না থাকুক শরীরে, কাপড়ে বা বিছানায় বীর্যের চিহ্ন দেখতে পেলে।
৩. মহিলাদের মাসিক ঋতুস্রাব (হায়েয) বন্ধ হলে।
৪. নেফাস (সন্তান প্রসবের পার যে রক্তস্রাব হয়) বন্ধ হলে।
৫. স্ত্রী-পুরুষ কারও উত্তেজনার সাথে বীর্য বের হলে।
৬. কোন অমুসলিম ইসলাম গ্রহণ করলে।
তখন ফরয গোসল ছাড়া নামাজ হবে না।
গোসলের নিয়তঃ
"নাওয়াইতুল গোছলা লিরাফয়ি'ল্ জানাবাতে।" অর্থাৎ ''আমি নাপাকি দূর করবার জন্য গোসল করতেছি।''
![]() |
| ওযুর নিয়ম |
মুখে আরবি নিয়ত করতে হবে তা কিন্তু জরুরী নয়। এভাবে উচ্চারণ করা অধিকাংশ আলেমই বিদ'আত বলেন। সুতরাং বাংলাতে মনে মনে বলুনঃ
- 'হে আল্লাহ, আমি নাপাক থেকে পবিত্র হবার জন্য গোসলের নিয়ত করছি'। (অনেক আলেমের মতে, আপনি ঘর থেকে ফরয গোসলের সংকল্প করে বের হলেই নিয়ত হয়ে যায়। আল্লাহ আলাম।)
- এখন প্রথমে দুই হাত কব্জি পর্যন্ত ৩ বার ধুতে হবে।
- এরপর ডানহাতে পানি নিয়ে বামহাত দিয়ে লজ্জাস্থান এবং তার আশপাশ ভালো করে ধুতে হবে। শরীরের অন্য কোন জায়গায় বীর্য বা নাপাকি লেগে থাকলে সেটাও ধুতে হবে।
- তারপর যেভাবে ওযু করেন সেভাবে ওযু করুন, শুধু পা ধুবেন না। ওযুতে গোসলের ফরয, সুন্নত, মুস্তাহাব সবই আছে।
- তারপর এমনভাবে তিনবার শরীরে পানি ঢালবেন কিংবা ডুব দেবেন যে, যেন একটা পশমও শুকনা না থাকে।
- তারপর শুওকনো জায়গায় ওঠে সবশেষে পা ধুবেন।
এবার আপনি নামাজ, কালাম সবই করতে পারবেন।
হে আল্লাহ, আমাদের সঠিক জ্ঞান অর্জন ও আমল করার তওফিক দাও, আমীন।
