Jan 3, 2025

অকৃতজ্ঞ

আজ গাজাবাসীরা যেমন আল্লাহর সাহায্যের পানে চেয়ে আছে, একদিন আমরা বাংলাদেশিরাও আকাশের পানে তাকিয়ে থাকতাম।

রহমানুর রহীম আমাদের রহমত করলেন। এই অসহায়দের দিকে ফিরে তাকালেন। এক ভয়ংকর ডাইনি রাক্ষসীর কবল থেকে এই জাতিকে উদ্ধার করলেন।


আল্লাহর শুকরিয়া আদায় না করে, এই নেয়ামত ভোগ না করে, এই সুযোগের সদ্ব্যবহার না করে,

এই জাতি করল কি?

নিজেরা নিজেরা মারামারি, হানাহানি, খুনোখুনি, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি শুরু করে দিল।

আমি আশংকা করছি, অতি শীঘ্রই এই জাতির উপর ফিলিস্তিনের চেয়েও মারাত্বক গজব নেমে আসবে। সবচেয়ে বেশি আযাবপ্রাপ্ত হবে ইসলামিক দলের লিডার এবং সাপোর্টাররা। (ইন্ডিয়ার হাবভাব আর বিশ্বের মোড়লদের নীলনকশা তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে)


আখেরি জামানার ভয়াবহ ফেতনা বা ফিতনা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) ভবিষ্যতদ্বাণী করেছেন যে, সে সময় মুসলমানরা সংখ্যায় অনেক বেশি হওয়া সত্ত্বেও সমুদ্রের ফেনার মতো শক্তিহীন ও মূল্যহীন হবে। এর মূল কারণ হিসেবে দুনিয়াপ্রেম ও মৃত্যুভয়কে চিহ্নিত করা হয়েছে।
হজরত সাওবান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"অন্যান্য জাতিরা তোমাদের ওপর এভাবে ঝাঁপিয়ে পড়বে, যেমন ক্ষুধার্ত মানুষ খাবারের পাত্রে একে অপরকে ডাকে।"
সাহাবিরা জিজ্ঞাসা করলেন, "হে আল্লাহর রাসুল! সেদিন কি আমাদের সংখ্যা কম হওয়ার কারণে এমনটি হবে?"
তিনি বললেন, "না, বরং সেদিন তোমরা সংখ্যায় অনেক হবে। কিন্তু তোমরা সমুদ্রের ফেনার মতো (শক্তিহীন ও ভাসমান) হবে। আল্লাহ তোমাদের শত্রুদের অন্তর থেকে তোমাদের ভয় দূর করে দেবেন এবং তোমাদের অন্তরে 'আল-ওয়াহান' ঢুকিয়ে দেবেন।"
সাহাবিরা জিজ্ঞাসা করলেন, "হে আল্লাহর রাসুল! 'আল-ওয়াহান' কী?" তিনি বললেন, "দুনিয়ার ভালোবাসা এবং মৃত্যুকে ভয় করা।"
(সুনান আবূ দাউদ: ৪২৪৭)

আল্লাহ্‌র ক্রোধ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

 




Featured Post

কুরবানিঃ ঘরে ঘরে আমিষের ভান্ডার।

  ইসলামের কি মহান সৌন্দর্য্য! আজ ধনী-গরীব নির্বিশেষে সবার ঘরে ঘরে গোশত আর আমিষের উপচে পড়া ভান্ডার। কুরবানির এই একটি দিন পৃথিবীর সব হিসাব-নিক...